ডিসেম্বর মাসে একটি প্রজেক্ট করা হয় এবং ১৬ইং ডিসেম্বর বিজয় দিবস পালন করা হয়
ইনার হুইল ক্লাব অব ঢাকা কসমপলিটন এর সদস্য ইয়াসমিন রহমান
মাদার টেক নন্দি পাড়ায় একটি মাদ্রাসার ১ বছরের লেখা-পড়ার খরচ
বাবদ ২,৫০,০০০/- টাকা অনুদান করেন।
ঢাকা কসমোপলিটনের ইনার হুইল ক্লাব উদ্যোগে জরায়ু ক্যানসার মুখে প্রতিরোধে টিকা প্রদান করা
আগস্ট,সেপ্টেম্বর ও ৩ টি ধাপে ১৫ টি অসহায় ও দুস্থ ১৩-২৫ বছর এর মেয়েদের মাঝে আমরা
জরায়ু ক্যানসার মুখে প্রতিরোধে টিকা প্রদান করা হয়েছে। মোট ১২০০০০/- এই প্রোজেক্ট ব্যায় হয়।
এই টিকা প্রদান করা হয় গূলশানে ২ অবস্থিত এবং হাসপাতালে টিকা প্রদান করা হয়।
এই মাসে ইনার হুইল ক্লাব ওফ ঢাকা কসমপলিটন ও আরও
কয়েকটি ইনার হুইল ক্লাব একএি যুক্ত ভাবে জরায়ুর মূখের ক্যানসার প্রতিরোধে টিকা প্রদান সময় অংশ গ্ৰহন ।
ঢাকা কসমোপলিটনের ইনার হুইল ক্লাব একটি অর্থবহ উদ্যোগের মাধ্যমে ক্যান্সার রোগীদের সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করেছে
অক্টোবর মাসে স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাস পালনের জন্য , ঢাকা কসমোপলিটনের ইনার হুইল ক্লাব একটি অর্থবহ উদ্যোগের মাধ্যমে ক্যান্সার রোগীদের সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করেছে। ক্লাবটি ৫০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছে। ক্যান্সার চিকিৎসাধীন সুবিধাবঞ্চিত রোগীদের সহায়তার জন্য নিবেদিত একটি কেমোথেরাপি রুম সহজতর করার জন্য দিগন্ত ফাউন্ডেশনকে ১.৫ লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা অনুদান করেছ।। এই অবদান ক্লাবের মানবিক সেবা এবং নারীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি জন্য চলমান উৎসর্গকে প্রতিফলিত করে। স্তন ক্যান্সার থেকে বেঁচে যাওয়া এবং বর্তমানে যারা এই রোগের সাথে লড়াই করছেন তাদের সাথে আরও সংহতি প্রকাশ করার জন্য, ক্লাবের সদস্যরা তাদের মাসিক বৈঠকের সময় গোলাপী ফিতা পরেছিলেন, যা একটি উষ্ণ এবং সহায়ক পরিবেশে সৃষ্টি করে, এটি একটি রিসর্টে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এইটা প্রকাশের ভাবটা ছিল স্তন ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আশা, শক্তি এবং ঐক্যের অনুস্মারক হিসাবে কাজ করেছে। এই সহানুভূতিশীল কাজের মাধ্যমে, ঢাকা কসমোপলিটনের ইনার হুইল ক্লাব একটি স্বাস্থ্যকর এবং আরও যত্নশীল সমাজের প্রতি সচেতনতা, সহানুভূতি এবং সম্মিলিত পদক্ষেপকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।
২০২৫- ২০২৬ সালে নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন সম্মানিত জেসরিনা হাইদার
ইনার হুইল ডিষ্টিক বাংলাদেশের ২০২৫-২০২৬ সালের জন্য ডিষ্টিক চেয়ারম্যান নিযুক্ত হলেন সম্মানিত জেসরিনা হাইদার।
ইনার হুইল ক্লাব অব বারিধারার সাবেক সন্মানিত প্রেসিডেন্ট হিসাবে উনি দ্বায়িত্ব পালন করেন । সন্মানিত প্রেসিডেন্ট হিসাবে জেসরিনা হাইদার সমাজসেবা,নারীর ক্ষমতায়ন,নারীর স্বাস্থ্য,বয়স্কদের যত্ন,শিশুদের শিক্ষা ও অধিকার এবং সম্প্রদায় উন্নতির জন্য নিবেদিত প্রাণ। একজন সচেতন ও উদ্যমী সদস্য হিসেবে তিনি ক্লাবের ব্যানারে এই রকম অসংখ্য ফলপ্রসূ উদ্দ্যেগের নেতৃত্বে কার্যকর বাস্তবায়ন সফল করতে গূরুত্বপূণ ভূমিকা রেখেছেন।
জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইনার হুইল ডিষ্টিক ৩২৮ বাংলাদেশর ৫৪ টি ক্লাবের সদস্যরা বনানী হোটেল সেরাটনে সস্মানিত চেয়ারম্যান কে বরন করা হয় ।
মঞ্চে এলো এথিক এর নতুন নাটক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্’র সুড়ঙ্গ
গত ২৩মে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে মঞ্চস্থ হলো ঢাকার অন্যতম নাট্যদল এথিক এর নতুন নাটক সুড়ঙ্গ। দলের চতুর্দশ প্রযোজনা হিসাবে এথিক মঞ্চে নিয়ে নিয়ে এলো প্রখ্যাত কথা সাহিত্যিক ও নাট্যকার সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্’র সুড়ঙ্গ।
ধন-সম্পদের প্রতি মানুষের লোভ চিরকাল। অন্যের সম্পদ নিজের করে নেয়ার প্রবৃত্তি আদীকাল থেকে চলমান। হোক তা বৈধ কি অবৈধ উপায়ে। হোক সে দূরের অথবা কাছের জন। প্রয়োজনে সুড়ঙ্গ খুড়ে সম্পদ ছিনিয়ে নিতেও দ্বিধা করেনা মানুষ। কিন্তু সম্পদ কি সবাইকে সব সময় ধরা দেয়? গুপ্ত ধন কি জোটে সবার ভাগ্যে? এমনই বিষয় ফুটে উঠেছে নাটকে এক ষোড়শী কন্যার কৌতুহলী ভাবনার জগতের ভিতর দিয়ে। নাটকের কাহিনী আবর্তিত রাবেয়াকে ঘিরে। দু’দিন পর তার বিয়ে অথচ সে বিছানায় শয্যা নিয়েছে। ডাক্তার-হেকিম সব হদ্দ হয়ে গেল কিন্ত কেউ তার অসুখ ধরতে পারেনা। মাতৃহারা মেয়ের দুশ্চিন্তায় বাবা রেজ্জাক সরদার অতিশয় উদ্বিগ্ন। মুশকিল আসান হয়ে অবশেষে এলো এক ফকির বাবা যাকে দেখে রাবেয়া অবাক। কিন্তু রহস্য না ভাঙতে রাবেয়া তৎপর। যে রহস্যের রোমাঞ্চে নিজের বিয়ের আয়োজন উপেক্ষা করে অসুস্থতার ভান ধরে ঘরে পড়ে আছে আর দুদিন ধরে শুয়ে শুয়ে শুনছে সুড়ঙ্গ খোড়ার শব্দ। মাটির নিচের অন্ধকারের রহস্য ভেদ করে ধীরে ধীরে তার ঘরে এগিয়ে আসছে এক রহস্য মানব। রোমাঞ্চ আর উত্তেজনায় অবশেষে সকলেই মুখোমুখি হয় এক কঠিন সত্যের।
নাটকটি নির্দেশনা দিয়েছেন মিন্টু সরদার। সহযোগী নির্দেশক মনি কানচন। হল ভর্তি দর্শক নাটকটি মন্ত্র মুগ্ধের মত উপভোগ করেন। নাটক শেষে প্রযোজনাটির ভূয়সী প্রশংসা করেন বরেণ্য নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার, আখতারুজ্জামান সহ অনেক গুনী নাট্যজন। নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাহফুজ আফনান অপ্সরা,প্রদীপ কুমার,মনি কানচন,সুকর্ন হাসান, আজিমউদ্দিন, রেজিনা রুনি,নাহিদ মুন্না,উর্মি আহমেদ,দীপান্বিতা রায়,রুবেল খান,মনিরুল হক ঝলক,মিথিলা, রুসানা, নয়ন, লাবিব, দিপেন, মবিয়া, সৃজন প্রমুখ। নাটকটির মঞ্চ পরিকল্পনা করেছেন সাইফুল ইসলাম, আলোক পরিকল্পক ঠাÐু রায়হান,আবহসংগীত করেছেন শিশির রহমান, পোষাক ও রূপসজ্জায় শুভাশীষ দত্ত তন্ময়, কোরিওগ্রাফী করেছেন এম আর ওয়াসেক এবং নাটকের প্রচ্ছদ করেছেন চারুপিন্টু।
দ্যা শো-স্টপার আয়োজিত ঈদ ফেস্টিভ্যাল নাইট – ২০২৫
দ্যা শো-স্টপার আয়োজিত বিভিন্ন গঠনমূলক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় উদ্দ্যোক্তাদের নিয়ে আবারও আয়োজন করতে যাচ্ছে ব্যতীক্রমধর্মী এক মেলা-ঈদ ফেস্টিভ্যাল নাইট ২০২৫। জমকালো এই আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঢাকার হোটেল সোনারগাঁ এ আগামী ২৬ শে মার্চ থেকে চাঁদ রাত পর্যন্ত চলবে এ মেলা। যেখানে অংশগ্রহন করবে ৭০ টিরও বেশি উদ্দ্যোক্তা ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ। আসন্ন মাহে রমজানকে সামনে রেখে দেশি-বিদেশী বিভিন্ন ব্র্যান্ড সামগ্রীর সমাহার সাথে ইফতার কিংবা সেহেরির জন্য লোভনীয় সব খাবারের পশরা নিয়ে হাজির হচ্ছে অংশগ্রহনকারী সকল উদ্দ্যোক্তারা। দ্যা শো-স্টপার উদ্দ্যেক্তারা আসা করেন সকলের স্বতঃফূর্ত উপস্থিতি ও আন্তরিক সহযোগিতা এই ঈদ কার্নিভাল কে আরও প্রাণোবন্ত করে তুলবে।
লায়ন এলিজা মুন্নী ঢাকা শিশু হাসপাতালের সহকারী পরিচালক প্রশাসন পদে পদন্নোতি
জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক,লায়ন এলিজা মুন্নী ঢাকা শিশু হাসপাতালের সহকারী পরিচালক প্রশাসন পদে পদন্নোতি পাওয়ায় বিনোদন ভুবন এর পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচছা ও অভিনন্দন 🌹❣️।
ইনার হুইল ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮ এর ৪০তম ডিস্ট্রিক্ট র্যালি ২০২৪ অনুষ্ঠিত
মেঘনাপাড়ধীবর স্কুলটি ২০০৮ এ লক্ষ্মীপুর জেলার মজুচৌধুরির হাঁটে প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুর দিকে জেলের সন্তানদের অনমুতি ছিলনা স্কুলে যাবার। তখন স্কুল পড়া দরেূ থাক, ওনারা স্যান্ডেল পরেও তথাকথিত সভ্য সমাজের সামনে যাওয়ার অনমুতি পেতেন না, প্রাথমিক স্কুলে প্রবেশের অনমুতি ছিলনা।। কারণ,জেলেরা শিক্ষিত হোক কেউ চায়নি, অপরদিকে জেলেদের ভাবনা ছিল সন্তান তো আর বড় হয়ে তাদের পেশায় থাকবেনা। এই জেলে পরিবারগুলোর বাস নৌকায়। তাদের অনেকের ঘরবাড়ি নদীর ভাঙনে চলে গেছে। একচালা ঘর দিয়ে শুরু হয়“মেঘনাপাড়ধীবর বিদ্যানিকেতন”। অনেক কাঠখড়পুড়ানোর পর এখন এই শিক্ষার্থীরা এখান থেকে পড়ে মাধ্যমিক স্কুলেও ভর্তি হতে পারে। এবছরই প্রথম এই স্কুলের কেউ ঢাকা শহরে প্রথম পড়তে এসেছে বদরুন্নেসা কলেজে। এদের মাঝে আত্মপ্রত্যয় বাড়ানোর লক্ষ্যে Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan branding category তে centennial year এ ইনারহুইল লোগো সহ স্কুল ড্রেস প্রদান করে, এই অনষ্ঠু ানে উপস্থিত ছিলেন Md. Mizanur Rahman, Director Researcher, evaluation and monitoring USAID Md. Abdul Kashem Shohag, media person and organiser of love football play football Maghnapar Dheebor school এর উদ্যোক্তা, এবং সেই গ্রামের চ্যায়ারম্যান।। এতে করে যেমন Inner Wheel এর Branding দেশে হয়েছে,সেই সাথে Inner Wheel Branding generation to generation হয়েছে, কারণ প্রথম স্কুলড্রেস এইশিশু মন গুলোতে সারাজীবন মধুময় স্মৃতি হয়ে থাকবে। এই বছর Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan এর পক্ষ থেকে এদের জন্য Computer দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অবহেলিত মানষের কাছে কম্পিউটার সরবরাহ করা শুধুমাত্র ডিজিটাল বৈষম্য কমানোর বিষয় নয়; এটি মানবতার হৃদস্পন্দনে প্রবেশ করার মতো—যেখানে সবার মধ্যে বদ্ধিৃ,সংযোগ এবং সুযোগের এক অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা রয়েছে। এমন এক পৃথিবীতে যেখানে প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং তথ্যপ্রবাহকে চালিত করে,অবহেলিত সম্প্রদায়গুলোকে কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়া তাদেরকে বিশ্বব্যাপী আলোচনায় অংশগ্রহণ এবং অবদান রাখার ক্ষমতা দেয়। এই সুযোগ তাদের শিক্ষা অর্জন,কাজ খোঁজা এবং অন্যদের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সহায়তা করে, যা অগ্রগতি ও অন্তর্ভুক্তির একটি সার্বজনীন স্পন্দনকে প্রতিফলিত করে। যেমন একটি স্থির হৃদস্পন্দন জীবনকে টিকিয়ে রাখে, তেমনি প্রযুক্তি এমন এক জীবনরেখা হতে পারে যা মানষেুর সম্ভাবনা ও মর্যাদাকে লালন করে। এই জীবনরেখা প্রয়োজনীয় মানষেুর কাছে পৌছে দিয়ে, আমরা মানবতার সম্মিলিত হৃদস্পন্দনকে লালন করি,যাতে আমাদের দ্রুত পরিবর্তনশীল ডিজিটাল বিশ্বে কেউ পিছিয়ে না পড.
ঢাকা কসমোপলিটনের ইনার হুইল ক্লাব “সবার জন্য শিক্ষার অধিকার” এবং “আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস”
ঢাকা কসমোপলিটনের ইনার হুইল ক্লাব “সবার জন্য শিক্ষার অধিকার” প্রচার করতে এবং “আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস” উপলক্ষ্যে একটি সুবিধাবঞ্চিত স্কুলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত সামগ্রী এবং টিফিন বিতরণ করেছে। জেলা চেয়ারম্যান শাহানা আলম নির্ঝরের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিকে আরও অর্থবহ করে তোলে। ক্লাব সভাপতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
বাঁধন-মম সংগ্রামী দুই মুখ
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের শুরু থেকেই তাদের পক্ষে সামাজিক মাধ্যম থেকে শুরু করে রাজপথে সরব অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ও জাকিয়া বারী মম। যখন সমসাময়িক অনেক শিল্পীই চুপ করে ছিলেন তখন কোটা আন্দোলন ও পরবর্তীতে স্বৈরাচার পতনের ১ দফা আন্দোলনেও তাদের একসঙ্গে পাওয়া গেছে। এদিকে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরও নিজেদের কর্মকাণ্ডের মধ্যদিয়ে প্রশংসিত হচ্ছেন এ দুই তারকা। বিশেষ করে নতুন বাংলাদেশ গঠনে কী কী ভূমিকা হতে পারে সেই বিষয়েও কথা বলছেন তারা। কথা বলছেন শোবিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও। তারই ধারাবাহিকতায় বাঁধন ও মম শনিবার বিকাল ৩টায় জাতীয় শহীদ মিনারে দাঁড়িয়েছেন কিছু দাবি নিয়ে। দৃশ্যমাধ্যম শিল্পীসমাজের পক্ষ থেকে করা দাবির মধ্যে ছিল-সকল শিল্পী ও কলাকুশলীর নিরাপত্তা এবং তাদের কাজে ফেরার জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট সম্পূর্ণরূপে বাতিল ঘোষণা করতে হবে, সম্পূর্ণ স্বাধীন ফিল্ম কমিশন গঠন করতে হবে, সকল রকমের চলচ্চিত্রকে সেন্সরমুক্ত করতে হবে, পূর্ণাঙ্গ সময় উপযোগী ও আধুনিক ফিল্ম ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করতে হবে, সমস্ত সিনেমা হল মেরামত করে প্রদর্শন উপযোগী করা এবং সকল সিনেমা হলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এদিকে এ দাবিগুলো নিয়ে অন্যান্য শিল্পীদের সঙ্গে ব্যানার নিয়ে হাজির হয়েছিলেন বাঁধন-মম। এ দুই তারকার শুরুটা লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টারের মধ্যদিয়ে। এরপর নিজেদের সুঅভিনেত্রী হিসেবে তারা প্রমাণ করে গেছেন বিভিন্ন কাজের মধ্যদিয়ে। এবার বিপ্লব থেকে শুরু করে নতুন বাংলাদেশের সুন্দর এক ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন ও দেখাচ্ছেন এ দুই তারকা।
Binodon Bhuban Sadhin Binodon Pakkhik